বহুদিন আগে মানচুমাহারা কোথাও লিখেছিলেন- “অন্যের অধীনে চাকরী করার চাইতে নিজেকে একজন উদ্যোক্তা ভাবতেই পছন্দ করি।” এই কথাটাই কিভাবে কিভাবে ইন্সপায়ারেশন হয়ে দাড়িয়েছিল খেয়াল করিনি। যদিও তখন তাঁর সাথে ব্যক্তিগত কোন পরিচয় ছিল না। তিনি আমার ফেইসবুক ফ্রেন্ডলিস্টে ছিলেন এবং পেশায় একজন ফ্রিল্যান্সার এতটুকুই জানতাম। তবে আমিও যে ক্রমশ চাকরীজীবীর বদলে উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলাম এটা টের পেলাম অনেক পরে। যদিও আউটসোর্সিংয়ের বিষয়টা নিয়ে কখনোই তেমন কিছু ভাবিনি। তখন ভাবতাম একটা প্রতিষ্ঠান করার কথা। কিছু গ্রাফিক ডিজাইনার নিয়ে একটা ডিজাইন হাউজ করার ইচ্ছা ছিল লোকাল কাজগুলো করার জন্য। কিন্তু প্রথমত তখন একটা মাঝারি মানের প্রতিষ্ঠান করার মত পর্যাপ্ত টাকাও আমার ছিল না। একসময় এটার চাইতে আউটসোর্সিং অনেক সুবিধাজনক মনে হলো এবং সফল হতে পারলে নিজের এবং দেশের উভয়ের জন্যই লাভজনকও বটে। আর এর জন্য তেমন কোন পুঁজিরও দরকার নেই। আমার নিজের কাজের উপরে ৯ বছরের বেশী সময়ের অভিজ্ঞতা, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশন সবই আমার ছিল। যদিও কম্পিউটারটা ছিল অনেক দুর্বল, এবং গ্রামীনফোনের স্লো ইন্টারনেট। তারপরও কাজ চালানো যায়। এখন প্রয়োজন সুযোগ এবং কিছুটা সময়।

 

যেভাবে শুরু:

প্রিন্টিং প্রেসে চাকরী করতাম। কাজের ফাঁকে অফিসে বসে এবং অফিস শেষে মেসে ফিরে বিভিন্ন ব্লগ ফোরামে আউটসোর্সিং বিষয়ে পড়াশুনা করেই কাটিয়ে দিতাম এবং একসময় মনে হলো এবারে একটু চেষ্টা করে দেখা যায়।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলাম ওডেস্ক থেকে। আমার ভাগ্যটা ভালই বলতে হবে, প্রথম বিডেই কাজ পেয়ে যাই এবং সেটা শেষ করতে না করতেই আরো কয়েকটা কাজ পেয়ে যাই। ফলে সাহস আরো একটু বেড়ে গিয়েছিল। এছাড়া ওডেস্কে যাদের কাজ করেছি তারা তাদের পরিচিত বা বন্ধুদেরকেও আমার রেফারেন্স দিতে লাগলো কাজের জন্য। মনে হলো এর পেছনে যদি ফুলটাইম সময় দেয়া যায় তাহলে আমার পক্ষেও সম্ভব। এই অল্প বয়সে জীবনে অনেকগুলো চাকরী করেছি এবং ছেড়েছি তাই বর্তমান প্রেসের চাকরীটা ছাড়ার কথা ভাবতে খারাপ লাগেনি। যদিও প্রথম দিকে একটু আশঙ্কায় ছিলাম আসলে এই পেশাটিতে আদৌ টিকে থাকতে পারবো কিনা বা কিছুদিন পর সব বাদ দিয়ে আবার চাকরী খুজতে বেরোতে হয় কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি কেননা ৫ সদস্যবিশিষ্ট পুরো পরিবারটিই আমার উপরে নির্ভরশীল এবং আমার এমন কোন পুঁজি বা অন্য কোন আয়ের উৎস ছিল না যা দিয়ে আমার আয় বন্ধ থাকলেও দু’মাস চলতে পারবো। আমার এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার লোকেরও খুব বেশী কমতি হয়নি। তবে সাহস জোগানোর মত কিছু সত্যিকারের বন্ধুও যে ছিল না তা নয়। ফলে স্বাধীনতা এবং পরিবারের কাছাকাছি থাকার ইচ্ছেটাকে কোনমতেই দমানো গেল না।

 

সিদ্ধান্ত এবং তার বাস্তবায়ন:

ফলে গত বছরের ৩০ এপ্রিল চাকরী ছেড়ে সারারাতের ট্রেন ভ্রমণ শেষে ১লা মে সকালে বাড়ি পৌছেছিলাম এবং ১ বছর বাড়িতে বসেই কাজ করলাম। বলতে পারি আগের থেকে অনেক ভাল আছি।

যদিও প্রথমদিকে খুবই অসুবিধা হচ্ছিল ইন্টারনেট, বিদ্যুত, সামাজিক, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে। আমাদের সামাজিক ব্যবস্থায় আউটসোর্সিংটা পেশা হিসেবে বিশেষ পরিচিত নয় এবং মফস্বল শহরগুলোতে কেউ যখন পেশা জিজ্ঞাসা করে তখন পেশাটিকে বুঝাতে ভালই বেগ পেতে হয়। এরপর ইন্টারনেট এবং বিদ্যুতের সমস্যা বুঝাতে গিয়ে আরো কিছু কিস্ট্রোক ব্যাবহার করার কারণ নেই। তবে বিদ্যুতের সমস্যা থেকে কিছুটা রেহাই পেতে ডেস্কটপের পরিবর্তে ল্যাপটপ ব্যবহার করছি। ইন্টারনেট কানেকশন হিসেবে ব্যবহার করছি বিটিসিএল এর ব্রডব্যান্ট কানেকশন। মাঝে মাঝে তার ছিড়ে যাওয়া ছাড়া এদের তেমন কোন সমস্যা নেই।

 

বর্তমান অবস্থা:

আমার ফ্রিল্যান্সিংয়ের শুরুটা ওডেস্ক থেকে। ওখান থেকেই কিছু ভালমানুষের সাথে পরিচয় হয়েছিল যারা আমার নতুন ক্যারিয়ারটা দাড় করানোর জন্য যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। দু’টো প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী সিনিয়র ডিজাইনার হিসেবেও কাজ করছি ১ বছরের বেশী হয়ে গেল। এছাড়া পুরোনো ক্লায়েন্টগুলোতো আছেই সেইসাথে পুরোনো ক্লায়েন্টগুলোর রেফারেন্সে আরো কিছু নির্ভরযোগ্য ক্লায়েন্ট পেয়েছি ওডেস্কে এবং ওডেস্কের বাইরে। ফলে কাজের অভাব হয়নি। যদিও বাংলাদেশে পেপাল না থাকায় অনেক নতুন ক্লায়েন্টের কাজই এখনো ছেড়ে দিতে হয়। শোনা যাচ্ছে, শীঘ্রই পেপাল বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। তখন এ সমস্যা থাকবে না আশা করছি।

প্রথমদিকে একাই কাজ করতাম এবং সময়ের অভাবে অনেক কাজ ফিরিয়ে দিতাম। একসময় বুঝতে পারলাম আমি যা করছি তা ঠিক না। কেননা আমি যখন কোন ক্লায়েন্টকে ফিরিয়ে দিচ্ছি তখন স্বাভাবিকভাবেই তিনি অন্য আরেকজনকে খুজে নেবেন এবং তার ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে প্রতিষ্ঠান করার ব্যাপারটা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো। হ্যা, আমরা একটা প্রতিষ্ঠান করেছি তবে সেটাও ভার্চুয়াল। ঘড়ি ধরে কারো অফিসে আসার দরকার নেই। যে যার বাড়িতে বা ধানক্ষেতে বসে কাজ করুক তাতেও কোন আপত্তি নেই। সময়মত কাজ হলেই হলো। দেশে-বিদেশে সবমিলিয়ে ১২ জনের একটা টিম আমরা একে অপরের কাজে সহযোগিতা করছি। ব্যাপারটা মন্দ না।

পেশাটিকে আমি পছন্দ করছি তার প্রধান কারণ হিসেবে বলতো আমাকে কোথাও খুটি গেড়ে বসে থাকতে হয় না। কোথাও যেতে চাইলে ল্যাপটপটা ঘাড়ে ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়লেই হলো। আমি যেখানে যাবো আমার অফিসেও সেখানে! আমি আমার পরিবারকে সময় দিতে পারছি, আমার বন্ধুদেরকে সময় দিতে পারছি আর কী চাই?

কৃতজ্ঞতা: মানচুমাহারা (যাকে এ পেশায় আসার পেছনে আমার আদর্শ মনে করি)

লিখেছেন মামুন সৃজন

পেশায় ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার। দিনের শুরু থেকে শেষ সব খুটিনাটি অনলাইন কেন্দ্রিক। বাকি সময়টা কাটে ব্লগ লিখে নয়তো পড়ে। ব্যক্তি হিসেবে এতটাই অলস যে, নিজের ব্লগের খোঁজ রাখারও সময় নেই...

    ২৬ Responses to “পেশা হিসেবে আউটসোর্সিং: ঘরে ফেরার এক বছর”

  1. লাকি এফএম বলেছেন:

    চমৎকার ইন্সপিরিটিভ
    এটার রিপোষ্ট করতে চাই http://www.techmasterblog.com এ চাইলে আপনিও রেজিষ্টার করে দিতে পারেন :)

    উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম

  2. রুপালি গিটার বলেছেন:

    মামুন ভাইয়া,
    আমি আপনার ভীষণ ভক্ত। মানচু’দারও। আপনার ওয়ার্ডপ্রেস বাংলা আমার কয়েকটি সাইটে ব্যবহার করছি। সত্যি ভাইয়া, খুবই ভালো লাগলো। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকুন খুব। প্রিয় মানুষদের নিয়ে।

  3. ফিরোজ অাল মামুন বলেছেন:

    অামি খুব হতাস। কোন জায়গা থেকে কাজ শুরু করবো? কোন ভাই কি বলবেন?

  4. কাজী আলী নূর বলেছেন:

    ভাই, হতাশাকে মোটেও কাছে ভিড়তে দেয়া যাবে না। প্রথমেই মনের শঙ্কা বা ভয়গুলো দূর করুন। তার পর ইতিবাচক বিশ্বাসের সাথে সামনের দিকে এগুতে শুরু করুন।

    আগে নিজে ঠিক করুন যে কোন কাজে আপনি নিজেকে পারদর্শী বলে মনে করেন অথবা আপনার দ্বারা কোন সেবা বা সার্ভিস অন্য কেউ পেতে পারেন। আর সেটি সুস্পষ্ট কিনা তা ভেবে দেখুন। আর তার পর নিজেকে প্রশ্ন করুন- “আমি কি তৈরি?”

    মনে রাখবেন, ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেইসে বায়াররা যে ধরনের কাজের জন্য কন্ট্রাক্টরের সন্ধান করেন সেই কাজ তারা নিজেরাই করে নিতে পারতেন যদি না সেইটা করার জন্য যেই সময় দরকার সেইটা তাদের হাতে থাকত আর তারা নিজেরা জানতেন কিভাবে কাজটি করতে হয়।

    সহজ ভাষায় কাজের (problem) নিজেরা সমাধান খুজে পাচ্ছেননা বিধায়ই তাদেরকে অন্য কারও শরণাপন্য হতে হচ্ছে। আর তাদের লক্ষ্যই হচ্ছে তাদের কাজকে কোন একজন প্রোফেশনাল বা অভিজ্ঞ ব্যক্তির হাতে তুলে দেয়া।

    তারা হয়তো দেখবেন আপনার পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতা কিরকম, আপনার পোর্টফোলি অবশ্যই সেই ক্ষেত্রে অন্য রকম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আর আপনি কি অফার করছেন সেইটাও তারা লক্ষ্য করবেন তারপর আপনাকে কাজটি দেয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তারা যাচাই করে দেখবেন যে আপনি যা অফার করছেন তাতে তাদের কাজের সঙ্গে যৌক্তিক মিল আছে কিনা বা তারা সঠিক ব্যক্তিকে বাছাই করে কাজটি করতে দিচ্ছে কিনা।

    ধরুন একজন বায়ার তার সাইটের ব্যানারে একটি এ্যানিমেটেড এড তৈরি করতে চাচ্ছেন। আর আপনি যদি তাকে বলেন, আমি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করতে পারি, আমার ওয়েব সাইট বানানোর অভিজ্ঞতা আছে, আমি এস,ই,ও এর কাজ জানি আমি একজন কন্টেন্ট রাইটার ইত্যাদি ইত্যাদি।

    আপনি হয়ত ভাবছেন বায়ার আপনার অফারে অবিভূত হবেন আর কাজটি নিশ্চয়ই আপনাকে দিবেন। তাহলে আপনি যা জানেন পুরো বিষয়টা একেবারেই সঠিক নয়।

    বায়ারের জায়গায় একবার আপনি নিজেকে কল্পনা করুন। আপনার কাজের বিজ্ঞপ্তি দেখে বেশ কয়েকজন কন্ট্রাক্টর আপনার জব পোস্টে তাদের অফার লিখে বিড করেছে। আপনি কার অফারকে নির্ভরযোগ্য মনে করবেন। যে আপনাকে তার সকল কাজের ইতিহাস শোনাচ্ছেন আর তিনি কি কি করতে পারেন সেইগুলো জানাচ্ছেন তাকে? নাকি যার কথায় আপনার মনে হল যে তিনি আপনার সেই নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান করে দিতে পারবে তাকে?

    আশা করি প্রশ্নের উত্তর আপনি পেলেন। আর সব সময় বিড অথবা অফার লিখার আগে ক্লায়েন্টের জায়গায় নিজেকে রেখে সেই ক্লায়েন্টের পার্সেপশান থেকে তার চাহিদা বা সমস্যাটা ভালমত স্ট্যাডি করা উচিত। তারপর বিড বা অফারে কি লিখা উচিত সেই কনসেপ্ট আপনাআপনিই আপনার মনের মধ্যে চলে আসবে।

    আর সব শেষে একটি কথা, আপনি যদি মনি করেন ফ্রীল্যান্সিং শুরু করার পূর্বে নিজেকে আপনি আরও ভালমত তৈরি করে নিতে চান বা যা যা আপনি জানেন সেগুলোকে আরও ভালভাবে ঝালাই করতে বা নতুন কিছু শিখতে চান আপনি নিজার আগ্রহের বিষয়টি নিয়ে শুরু করুন।

    আর বিষয়টি যদি হয় ওয়েব টেকনোলজি; HTML, CSS, Javascript, PHP, WordPress, Joomla, Drupal এক কথায় ওয়েব ডিভেলপমেন্ট; অথবা ডিজাইনের কাজ যেমন Photoshop, Illustrator, Gimp, Inkscape কিংবা যেকোন কিছু তাহলে সেগুলোর একটিকে ভালমত হাতে নিন আর সেটিকে যথাসম্ভব ভালমত রপ্ত করুন।

    আমি নিজের ১৬ বছরের কম্পিউটিং এর সময়সীমার মধ্যে কখনো কোন যায়গায় কোন কোর্স কিংবা কার কাছ থেকে কিছু শিখিনি। যা যা জেনেছি আর যা যা শিখেছি তার সবই নিজের চেস্টায় শিখেছি। আর মনের মধ্যে প্রবল ইচ্ছা ছিল বলেই হয়ত নিজে নিজে উপরোল্লিখিত সবকটি বিষয় আমি শিখতে পেরেছি। সম্পূর্ণ নিজের আগ্রহ এবং চেস্টা আর সেই সাথে ছিল ধৈর্য।

    এইসকল বিষয় যদি আপনার মাঝেও আপনি আবিষ্কার করেন তাহলে আপনি যেটা করতে চাইবেন সেইটাই করতে পারবেন। শুধু দরকার জানার অদম্য আগ্রহ, অধ্যবসায়। ব্যস, আপনার রাস্তা পরিস্কার।

    আর যত যত সাক্সেস স্টোরি আপনি পড়ছেন সেইগুলোর পেছনে রয়েছে কোঠের পরিশ্রম আর একাগ্রতা। তারা সকলেই একদিন শূন্য থেকে তাদের যাত্র শুরু করেছিলেন যারা আজ সাফল্যের দাড়প্রান্তে দণ্ডায়মান। তাদের চলার পথে নাজানি কত বাধা ও প্রতিকূলতা এসে দাড়াত আর তারা সাহসের সহিত সেটিকে মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতেন। এভাবেই মামুন সৃজন, রাসেল আহমেদ, তমাল আনোয়ারের মত ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষ থেকে নিজেদেরকে সফল ব্যক্তিতে পরিণত করেছেন।

    হতাশা নয়, সব কিছুকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সাফল্যের কথা মাথায় রেখে বিশ্বাসের সাথে যাত্রা শুরু করুন। আপনিও হবেন তাদেরি একজন। Best of luck!

  5. Kamrul Islam বলেছেন:

    Undoubtedly a great story of success. I feel inspired reading the article. Best luck.

  6. Sabuj Kundu aka Manchumahara বলেছেন:

    উদ্যোগকে কিভাবে প্রতিষ্ঠান এর রূপ দেওয়া যায় এখন সেই চেস্টা করতে হবে। আমি নিজেও এখন একা একা কাজ করার সেই অভিজ্ঞতা থেকে এখন টিম নিয়ে অফিস সেটাপ করে কাজ করার চেস্টা করছি যদিও খুবই ছোট পরিসরে। সব সময় একটা স্টেজ থেকে অন্য স্টেজ এ আগানোর চেস্টা করতে হবে।

  7. sudip the poor boy বলেছেন:

    a great story of success. I feel inspired reading the article. Best luck.,,,amk plz ki6u sider nam bolun je khane copy paster kaj hoy,ami new coputer sik6i,ektu ektu jani,plz jodi help korten valo hoto,,mase jodi 100 taka petam tobe amr net khoroch ta peye jetam

    • মামুন সৃজন বলেছেন:

      কপিপেস্টের কাজ করে বেশীদুর এগোতে পারবেন না এবং সারাদিন কপিপেস্ট করতে গেলে অন্যকিছু শিখতেও পারবেন না। তার চাইতে এতদিন কষ্ট করেছেন, আরো কিছুদিন কষ্ট করে ভাল কোন কাজ শিখুন, যাতে ভবিষ্যতে এ ঘাটতি পুষিয়ে নিতে পারেন। শুভকামনা রইল।

      • sudip the poor boy বলেছেন:

        kaj to sikte chai but computer course gulo emon j amk internet er kaj sikte gele pray 2 years wait korte,,, computer course 6 mas dhore fundamental shikabe tar por office 6 mas ei korte korte 2 years hoye jabe,,,tarpore interneter kaj ki sikabe seta keo jane na,,,basic dharona ditei ses kore dibe,,,plz sir apni jodi kono siter nam bolen tobe khuai upokar hoy..ami new pc user besi ki6ujani na ki6u ki6u page and pchelplinebd theke ki6u sikhar chesta kor6i…..valo thakun

  8. শিমুল বলেছেন:

    কারো সাফল্যের কথা শুনলেই খুব ভালো লাগে। আশা করছি নিজেরও এমন একটা সাফল্য আসবে। তবে আমি সম্ভবত বেশি কঠিন কাজে হাত দিয়ে ফেলেছি, যার কারনে সফলতা ধরা দিতে গিয়েও দিচ্ছেনা। নতুন করে আবার ইন্সপায়ার্ড হলাম মামুন ভাই। শুভকামনা রইল আপনার এবং আপনার পরিবারের প্রতি।

  9. গালিব হোসাইন বলেছেন:

    আপনার লেখা পড়ে নিজের কাছে ভাল লাগছে।

    আমিও আপনার মতই একজন। কাজ করছি অডেস্ক এ। ২১০০+ ঘন্টা হয়েছে।
    আপনার ডিজাইন গুলো অসাধারণ।

    আমি নিজেও একজন ডিজাইনার।
    টিম নিয়ে কাজ করেছিলাম। কিন্তু কিছু বাজে ঘটনার কারণে এখন একাই কাজ করি।

    আপনার জীবন সুন্দর হোক। ইনশাল্লাহ বড় হতে পারবেন।

    • মামুন সৃজন বলেছেন:

      ধন্যবাদ। কী ধরণের ঘটনা ঘটেছিলো চাইলে জানাতে পারেন তাহলে অন্যরাও এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে পারবে।

      • গালিব হোসাইন বলেছেন:

        কাজ নিয়েছিলাম ইমেইল মার্কেটিং এর।
        একা সম্ভব না তাই ৫,৬ জন বন্ধুকে নিয়ে কাজ শুরু করলাম।

        ২ মাস ভালি চলল। প্রায় ৩০০০ ডলার (বাংলা টাকায় ২,৪০,০০০) টাকার প্রজেক্ট বলা যায়। ১০০০ ডলার পেলাম প্রথম মাসে। সবার টাকা পয়সা ঠিক ভাবে দিয়ে দিলাম।

        কিন্তু তারা পরের মাস থেকে কাজে কর্মে ফাকি দিতে শুরু করল। নানা রকম অজুহাত দেখাতে থাকল দুই একজন বাদে।

        ২য় মাসে ক্লায়েন্ট এর বিল আস্তে দেরী হচ্ছিল। বন্ধু বান্ধব বলে তাদের সাথে সম্পর্ক ভাল রাখার জন্য তাদের পাওয়া টাকা (২য় মাসের) নিজের পকেট থেকে দিয়ে দিলাম (৩২,০০০ টাকা)।
        যেহেতু প্রায় ৭ মাস এর পুরান ক্লায়েন্ট, টাকা তো দিবেই।

        কিন্ত ২য় মাসে তারা যা কাজ করেছে তা তাদের অলসতার কারণে ক্লায়েন্ট লিড পায়নি।
        আমার সাথে ক্লায়েন্ট এর টাকা নিয়ে সমস্যা হল। আমি ব্যক্তিগত ভাবেও তার গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ করতাম। সেটার টাকাও পেলাম না।

        ক্লায়েন্ট অডেস্ক থেকেই পেয়েছিলাম। কিন্তু বড় কাজটা অডেস্ক এর বাইরে করেছি অনেকদিন।

        শেষ মেষ আমার পাওনা টাকাও পেলাম না। বন্ধু দের কে দেয়া টাকাও পেলাম না।
        ক্লায়েন্ট হারালাম। বন্ধুদের সাথেও সম্পর্ক খারাপ হল।

        আমার ভুল ছিল আমি ২ পক্ষ কেই বেশি বিশ্বাস করেছিলাম।

        এখন একা কাজ করি। খুব আরামে আছি। কোন বন্ধু বান্ধব নাই। যাকে তাকে বিশ্বাস করি না। একলাই চলি সব সময়।

        :)

  10. samir বলেছেন:

    আপনার লেখা পড়ে ভালো লাগলো।আমিও এই পেশাটা খুবই পছন্দ করি।কিন্তু কিভাবে শুরু করবো বুঝতে পারছিনা।কার কাছ থেকে এই বিষয়ের কোনো তথ্যও পাচ্ছিনা।কারন এই পেশা সম্পর্কে আমাদের চারপাশের কারোই ভালো ধারনা নেই। আর আমি ঘরের বর ছেলে হওয়ায় আমার উপর মা বাবার অনেক দাইত্ব আছে।তাই কেরিয়ারের নিরভর যোগ্যতার বিষয়েও যানালে উপক্রিত হতাম।

    • মামুন সৃজন বলেছেন:

      আমি মনে করি এর জন্য সবচে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, যেকোন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন। আপনি যদি কোন কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে সে বিষয়ে মার্কেটপ্লেসগুলোতে চেষ্টা করতে পারেন অথবা আগে যে কাজে আপনার আগ্রহ বেশী সে কাজটা ভালভাবে শিখে নিন। পরামর্শের কথা বললে বলবো, আপনাকে টাকার চাইতে আপনার কোন কাজ করতে ভাল লাগে সেটাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত হবে। সেটাই শিখুন এবং যখন মনে করবেন আপনি আন্তর্জাতিক মানের কাজের জন্য প্রস্তুত তখন কাজে নেমে পড়ুন। সফলতা আসবেই :)

  11. বাপ্পি দেলোয়ার হোসাইন বলেছেন:

    thank u very much mamun via for ur useful writing. i am quite sure everyone of interested for freelancing people will get inspiration from it. even it is me who is learning web development for freelancing.

  12. Arafat Islam Rifat বলেছেন:

    Mamun vai, apnar article pore onek valo laglo. amaro khub icce ace j outsourching korbo. But ami temon kichu jani na. 1ta computer training center e kaj kori. oikhane studio o ace . so majhe majhe photo er kaj kori photoshop e. ar illustrator e simple visiting card banate pari. Er sathe typing ta ektu valo pari. But ami jani esob die kichu hobe na. apni ki amake ek2 suggestion dite paren j kivave ami samne agate pari ? r web developer howar jonne kivave agate hobe…. Asole icce onek ace but family er financial obostha temon valo na. tai kono course korte partecina. Ekhon ami Inter 1st year e. Ekhon thika jodi kono valo kaj petam tahole family er onek help hoto. But kokhono Har manbo na. Chesta chaliya jobo, jotodin pari,
    r apnar jonne SHUVO kamona roilo. Valo thakben, R amader jonne DOWA korben.

  13. Shojib বলেছেন:

    ami photoshop jani kinto ke vabay suro korbo bhujtay parcina….

  14. Jago_manus_jago বলেছেন:

    Dear Brother Mamun, galib vai
    Thanks your nice write up.
    Actually i was totally dark in this field but reading your write up, i have now some idea & confident.
    Can pls suggest me below questions
    1) I am in Apparel merchandising, through this freelancer, can i get garments buyers/orders ?
    2) if i want to advise some of my young relatives, what will be your suggestion, i understand you tell any field they can choose, but as per your experienc what field u see protencial & good prospective in near future, they can learn these.
    Many thanks & waiting yours kind suggestion.

  15. Nayim বলেছেন:

    I’m trying Outsourcing. Recently i learned Keyword Planning, Blog Comment etc. After reading this post i’m inspired. Nice Post!

মন্তব্য করুনJago_manus_jago শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন